ঢাকা , শনিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৫ , ২২ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ই-পেপার
সংবাদ শিরোনাম
বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পে বড় আঘাত গণতান্ত্রিক স্থিতিশীল শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন মোদির দুর্নীতি প্রতিরোধে কাজ করতে বাংলাদেশ-থাইল্যান্ড এমওইউ মোদীকে দশ বছর আগের কথা মনে করিয়ে ছবি উপহার ইউনূসের নতুন সমীকরণে বাংলাদেশ-ভারত বাস চালকের হদিস মেলেনি আহত শিশু আরাধ্যকে ঢাকায় হস্তান্তর নিহত বেড়ে ১১ স্বস্তির ঈদযাত্রায় সড়কে ঝরলো ৬০ প্রাণ চালের চেয়েও ছোট পেসমেকার বানালেন মার্কিন বিজ্ঞানীরা আ’লীগের নেতাদের রাজকীয় ঈদ উদযাপনে ক্ষুব্ধ কর্মীরা আন্দোলনে ফিরবেন বেসরকারি কলেজ শিক্ষকরা মাদারীপুরে আগুনে পুড়ল ২ বাড়ি ভৈরবের ত্রি-সেতুতে দর্শনার্থীদের ভিড় বর্ষবরণের আয়োজন, পাহাড়ে উৎসবের রঙ ঈদের আমেজ কাটেনি বিনোদন স্পটে ভিড় আ’লীগকে নিষিদ্ধ করা বিএনপির দায়িত্ব নয় নতুন নিয়মে বিপাকে ট্রাভেল এজেন্সিগুলো ঈদের আগে বেতন-বোনাস পেয়ে স্বস্তিতে সাড়ে ৩ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক ঈদযাত্রায় সদরঘাটে চিরচেনা ভিড় মিয়ানমারে ভূমিকম্পে শতাধিক মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা

রফতানিতে ব্যবহার করছে না রেল ট্রানজিট

  • আপলোড সময় : ১৬-০৭-২০২৪ ০২:১৫:৫৯ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১৬-০৭-২০২৪ ০২:১৫:৫৯ অপরাহ্ন
রফতানিতে ব্যবহার করছে না রেল ট্রানজিট
বাংলাদেশ ভারতের কাছ থেকে রেল ট্রানজিট পেয়েও ব্যবহার করছে নামূলত বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) অনুমতি না দেয়ায় বন্ধ রয়েছে রেলপথে বাংলাদেশ থেকে ভারত হয়ে নেপালে পণ্য রফতানিফলে ব্যবসায়ীরা পণ্য ভারতের কলকাতা ও হলদিয়া বন্দরে খালাস করে ওই দেশের সড়ক কিংবা রেলপথ ব্যবহার করে নেপালে পাঠাচ্ছেএতে ভারতের লাভ হলেও বাংলাদেশের কোনো আয় হচ্ছে নাএমন পরিস্থিতিতে কেন ভারত হয়ে নেপালে পণ্য রফতানির অনুমতি দিচ্ছে না তা বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কাছে জানতে রেল মন্ত্রণালয়কে চিঠি দিয়েছে রেলওয়েআর এক চিঠিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড জানায়, বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে সই হওয়া ট্রানজিট চুক্তির আওতায় অপারেটিং মডালিটিস অনুমোদিত না হওয়ায় রফতানির অনুমতি দেয়া সম্ভব নয়বাংলাদেশ রেলওয়ে এবং আমদানি-রফতানি বাণিজ্যে সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়সংশ্লিষ্ট সূত্র মতে, ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে ট্রানজিট চুক্তি সই হয়২০১১ সালে সংশোধিত হয়চুক্তি অনুযায়ী পণ্য বাংলাদেশ থেকে ভারত হয়ে নেপালে যায়এই পথ দিয়ে ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ২৫ হাজার ৩৭৬ টন সার নেপালে পাঠানো হয়েছেপরের অর্থবছরে কোনো অর্ডারই পাওয়া যায়নিকিন্তু এর এক বছর পর ২০২০-২১ অর্থবছরে দ্বিগুণেরও বেশি ৫৪ হাজার ৫১০ টন সার রফতানি করা হয়পরের অর্থবছরে তা কমে দাঁড়ায় মাত্র ৪ হাজার ৫২৫ টনে২০২৩ সালে নেপালে ৫৫ হাজার ডিএপি সার রফতানির আদেশ পায় ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানপ্রতিষ্ঠানটির পরিকল্পনা ছিল, চীন থেকে আমদানি করা সার চট্টগ্রাম বন্দরে খালাসের পর লাইটার জাহাজে যশোরের নওপাড়ায় আনবেসেখানে সারগুলো ৫০ কেজির বস্তায় ভরে যশোর-খুলনা রেলপথে দিয়ে বাংলাদেশের রোহনপুর সীমান্ত, ভারতের সিংগাবাদ হয়ে নেপালে রফতানি করবেকিন্তু এনবিআরের অনুমতি না মেলায় তা হয়নিকিন্তু বাংলাদেশের অনুমতি না পেয়ে ভারতে ওই সার খালাস করে সেখান বস্তায় ভরার পর নেপালে পাঠানো হয়অথচ বাংলাদেশে সার খালাসের পর ভারতের দেয়া ট্রানজিট ব্যবহার করে নেপালে রফতানি করলে দেশেরই লাভ হতোপণ্য খালাসের জন্য যে টাকা কলকাতা বন্দর পেয়েছে, তা চট্টগ্রাম বন্দর পেত৫৫ হাজার টন সারের জন্য ১১ লাখ বস্তার প্রয়োজন হয়েছেএগুলো বাংলাদেশ থেকে কিনলে দেশের লাভ হতোবাংলাদেশি শ্রমিকরা কাজ পেতেনকিন্তু সরকারের অনুমতি না পাওয়ায় রফতানির পুরো সুবিধা ভারত পেয়েছেকলকাতা বন্দর রাজস্ব পেয়েছে, সে দেশ থেকে বস্তা কিনতে হয়েছেআর ৫৫ হাজার টন সার রফতানিতে রেলের আয় যতটা না হতো, তার চেয়ে বেশি হতো ব্যবসা সম্প্রসারণের সুযোগচলতি অর্থবছরে ৭৪ হাজার টন সার আমদানির আগ্রহ জানিয়েছিল নেপালকিন্তুঅনুমতি জটিলতায় রেলওয়ে এতে সাড়া দেয়নি।  সূত্র জানায়, রেলওয়ে ট্রানজিট চুক্তির আওতায় অনেক বছর ধরে নেপালে পণ্য রফতানি করছেগত বছরের ১৭ মে দেশ ট্রেডিং করপোরেশন সার রফতানির জন্য রেল ব্যবহারের আবেদন করে৩১ মে ভারতের রেল কর্তৃপক্ষ ভারতীয় ওয়াগনে করে দেশটির রেলপথ ব্যবহার করে রফতানির অনুমতি দেয়কিন্তু বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও এনবিআরের অনুমোদন না মেলায় নেপালে পণ্য রফতানি বন্ধ রয়েছেবাংলাদেশ-নেপালের বাণিজ্য সচিব পর্যায়ের সপ্তম সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ট্রানজিট চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত রুটে আমদানি-রফতানি করা যাবেএর জন্য অন্য কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণের প্রয়োজন নেইকিন্তু কী কারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় অনুমতি দিচ্ছে না, তা রেল মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে জানতে চিঠি দেয়া হয়েছেঅনুমতি প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়েছেএদিকে কী কারণে রেল ট্রানজিট ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না- এ বিষয়ে এনবিআরের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও চুক্তি শাখার এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, কূটনৈতিক কারণে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নেপালের সঙ্গে ট্রানজিট স্থগিত রেখেছেতাই এনবিআর অনুমতি দিতে পারেনিএ অনুমতি দিলে মোংলা বন্দর ও রোহনপুর স্টেশনে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি পেত ও দেশের লাভ হতো
 

নিউজটি আপডেট করেছেন : Dainik Janata

কমেন্ট বক্স